রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩১ আগস্ট) রাতে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তারা নিহত হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী। তিনি জানান, বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নিহত হয়েছেন। আরেকজন সদস্য গুরতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহত এবং কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটলো তা পরে জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন আইএসপিআরের এই কর্মকর্তা।
পদ্মা সেতুর ঢালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের একটি বাস উল্টে শিশুসহ অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। আজ সোমবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ১টা ৩৭ মিনিটের দিকে মাগুরা থেকে ঢাকাগামী নিউ গ্রীন লাইন এক্সপ্রেসের বাসটি পদ্মা সেতুর ঢালে পৌঁছালে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বাসটি সড়কের পাশের রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতরে বেশ কয়েকজন যাত্রী আটকা পড়েন। খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে আহতদের ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা করা হয়।
দেড় বছরের শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রি করে সেই অর্থ দিয়ে আইফোন কেনার অভিযোগে মো. মারুফ মুন্সি নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে বিক্রি করে দেওয়া শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে দশমিনা থানা পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় নেওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মারুফ ঢাকা থেকে বাড়িতে ফিরেছেন-এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার সন্ধ্যায় তার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তাকে আটক করা হয়। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মারুফ তার মা ও শিশুটির দাদি মাহমুদা বেগমকে ছেলে মুসাকে জামাকাপড় পরিয়ে দিতে বলেন। এরপর বাজারে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। দীর্ঘ সময় পার হলেও বাবা-ছেলে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে মারুফের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিশুটিকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে লিখিতভাবে দিয়ে দেওয়ার কথা স্বীকার করেন বলে দাবি করেন পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের অভিযোগ, শিশুটিকে বিক্রির পর মারুফ দ্রুত ঢাকায় চলে যান। সন্তান দেওয়ার বিনিময়ে পাওয়া টাকা দিয়ে পুরোনো ফোন পরিবর্তন করে একটি নতুন আইফোন কেনেন তিনি। এ ঘটনায় এর আগে ‘লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের শিশুপুত্রকে বিক্রির অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছিল ঢাকা পোস্ট। দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত মারুফ ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ তার বাড়িতে অভিযান চালায়। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিশুটিকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায় আজ। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে গত ২৫ আগস্ট শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর রায়ের দিন পিছিয়ে আজকের দিন ধার্য করা হয়। গত ২৪ আগস্ট এ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়। আদালতে আসামিপক্ষে রয়েছেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্র পক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। শিশু আছিয়ার নির্মম ঘটনাটি ঘটে মাগুরা সদর উপজেলায়। রমজানের ছুটিতে শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যারও চেষ্টা চালান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আলোচিত এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। গত বছরের ৭ মে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এক বছর আগে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই বছরের ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)। ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে প্রেরণ করতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। পরে সব যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্য তালিকাভূক্ত হয়।
আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নানা আয়োজনে ২০ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করেছেন বিসিএস প্রশাসনের ২৫ তম ব্যাচের কর্মকর্তারা৷ রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বেইলি রোডের অফিসার্স ক্লাবে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে এ বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে৷ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতি একটি কঠিন কাজ৷ আপনি যদি সারাজীবন একশটি ভালো কাজ করেন মানুষ সেটি ভুলে যায়৷ কিন্তু ভুলক্রমে একটি খারাপ কাজ করলে মানুষ তার জন্য সারাজীবন মনে রাখে৷ তিনি বলেন, অনেক সময় সরকারি কর্মকর্তারা রাজনীতিবিদদের চেয়েও জনগনের জন্য অনেক কাজ করতে পারে৷ আমি রাজনীতির অঙ্গনে বাধ্য হয়ে এসেছি৷ আমি চেষ্টা করছি সবসময় সঠিক কাজটি করার৷ প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার বলেন, গত ১৮ বছর আমলাতন্ত্রকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে৷ আমাদের কর্মকর্তাকে আওয়ামী, বিএনপি, জামায়াত ট্যাগ লাগিয়ে দিয়ে আমাদের ধ্বংস করা হয়েছে৷ সরকারের পট পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের কর্মকর্তাদের ওপর একটা নির্যাতন শুরু হয়৷ আমরা তো চাকরি করতে এসেছি৷ ফুটপাতে ঘুরে বেড়াতে নয়৷ এই নির্যাতন পেতে কেউ চাকরিতে আসিনি৷ তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই আমাদের মেধা শ্রম দিয়ে সব সরকারের সময় চাকরি করতে চেয়েছি৷ সরকার বিগত ১৮ বছর আমাদের প্রশাসনে বিভাজন সৃষ্টি করেছে৷ কিন্তু আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন সব কিছুর উর্ধে গিয়ে মেধা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রশাসনকে ঢেলে সাজাতে হবে৷ আমরা সেভাবেই চেষ্টা করছি৷ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১ নুরজাহান খানম বলেন, “২৫তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে যে পারস্পরিক বন্ধন, সৌহার্দ্য ও সহমর্মিতা রয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দীর্ঘ কর্মজীবনের নানা ব্যস্ততা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও সহকর্মীদের প্রতি এই আন্তরিকতা ও বন্ধন অটুট থাকা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। আমার বিশ্বাস, এই বন্ধন ভবিষ্যতেও আরও দৃঢ় হবে এবং সবাই একে অন্যের পাশে থেকে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনে এগিয়ে যাবেন। ২৫তম বিসিএসের সব কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের জন্য রইল আন্তরিক শুভকামনা। বিসিএস (প্রশাসন) ২৫তম ব্যাচের সভাপতি মো. সগীর হোসেন বলেন, “২৫তম বিসিএসের যেসব কর্মকর্তা এখনও বঞ্চিত রয়েছেন, তাদের বিষয়গুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে দ্রুত পদোন্নতির ব্যবস্থা করবে বলে আমরা আশা করি। আমরা একটি নিগৃহীত ব্যাচ হিসেবে বিভিন্নভাবে বঞ্চনার শিকার হয়েছি। দীর্ঘদিনের সেই বঞ্চনা সত্ত্বেও আমরা কখনো দায়িত্ব পালনে পিছপা হইনি। বরং রাষ্ট্র ও জনগণের প্রতি আমাদের দায়িত্ববোধ থেকে প্রত্যেক কর্মকর্তা নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, অতীতের বঞ্চনার বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে যোগ্য ও বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে সরকার ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত নেবে।” বিসিএস (প্রশাসন) ২৫তম ব্যাচের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময়ে বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। তারপরও আমরা আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র পিছুপা হইনি। সম্প্রতি আমাদের ব্যাচের বেশ কিছু কর্মকর্তার পদোন্নতি হলেও ১০৫ জন কর্মকর্তা এখনও পদোন্নতি পাননি। আমরা তাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পদোন্নতির সুযোগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাই। এর আগেও ২০১৮ সালে উপসচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রেও আমরা বঞ্চিত হয়েছিলাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, গণপূর্ত সচিব মো: ওবায়দুর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার মো: মনিরুজ্জামান মিয়া, ঢাকার জেলা প্রশাসক মিজ ফরিদা খানম, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূইয়াসহ বিসিএস ২৫ সহ বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারা৷ কেএমএম